আপনি যে ব্রেস্ট ক্যান্সার এর ঝুঁকির মধ্যে আছেন, তা জানেন কি? অথচ সমাধান আছে হাতের নাগালেই!
- kazi sakib

- Mar 29, 2019
- 2 min read

এক সমীক্ষায় দেখা গেছে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৯৯০ হতে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত প্রায় ৯ হাজার রোগীর মধ্যে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা শতকরা ১৫.৮৫%, এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৭%। যদিও আমাদের দেশে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীর সার্বিক চিত্র যথযথভাবে সংরক্ষণ করা হয়নি, কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে এ রোগে আক্রান্তের হার দিন দিন বেড়েই চলেছে। বাংলাদেশে প্রায় ১৩ থেকে ১৫ লক্ষ ক্যান্সার আক্রান্ত রোগী আছে যাদের মধ্যে ২৬% এই স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত। প্রতি ৮ জন নারীর মধ্যে একজনের স্তন ক্যান্সার হবার সম্ভাবনা আছে, যেটা কিনা বেশ ভীতিকর একটি তথ্য।
সবচেয়ে ভীতিকর বিষয় হচ্ছে- স্তন ক্যান্সারের মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে থাকা সত্ত্বেও আমাদের দেশের বেশিরভাগ নারীরা স্তন ক্যান্সার কি, এটি কেন হয় এবং কীভাবে প্রতিরোধ করা যায় ইত্যাদি বিষয়ে সচেতন নন। সাধারণত, স্তনের কিছু কোষ যখন অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে উঠে তখন স্তন ক্যান্সার হতে দেখা যায়। অন্ততপক্ষে দশ শতাংশ মানুষের স্তন ক্যান্সার হয় জীনগত কারণে, বাকী ৯০ শতাংশের স্তন ক্যান্সার হবার পেছনে অন্যান্য কারণ দায়ী। জেনেটিক কিছু কারণে মানুষ স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। বিআরসিএ১, বিআরসিএ২ নামের জিনের মিউটেশন ৫% থেকে ১০% স্তন ক্যান্সারের জন্য দায়ী থাকে।
যেসব মহিলাদের মা, খালা, দাদি-নানী কিংবা পরিবারের অন্য কোন বয়োজ্যেষ্ঠ মহিলা ইতিমধ্যে ব্রেস্ট ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছেন, তারা নিঃসন্দেহে ঝুঁকির মধ্যে আছেন। যেহেতু এ রোগটির নির্দিষ্ট কোনও কারণ আজ পর্যন্ত জানা যায়নি, তাই এই রোগ এড়ানোর জন্য নির্দিষ্ট কোনো উপায় বলা যায় না। কিন্তু আশার কথা হচ্ছে, স্তন ক্যান্সার যত মরণব্যাধিই হোক না কেন, সঠিক সময়ে সঠিক প্রতিরোধব্যবস্থা পারে স্তন ক্যান্সারের হাত থেকে রোগীকে রক্ষা করতে। আগে থেকে যদি বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে স্তন ক্যান্সার সনাক্ত করা যায়, তবে এই রোগ থেকে সম্পূর্ণ আরোগ্য সম্ভব।
ব্রেস্ট ক্যান্সার আদৌ হয়েছে কি না, সেটা জানার জন্য বর্তমানে বাংলাদেশে সবচাইতে কার্যকরী মাধ্যম হচ্ছে জিনেটিক টেস্ট করা। আর বাংলাদেশে বর্তমানে এই জিনেটিক টেস্ট সবচেয়ে সফলভাবে চালিয়ে যাচ্ছে ‘নিউরোজেন‘। ব্রেস্ট ক্যান্সার সনাক্তকরণে এই জিনেটিক টেস্ট তাই সবচেয়ে বেশী কার্যকরী। নিউরোজেন BC Plus জিন প্যানেল এ Next Generation Sequencing Technology ব্যবহার করে BRCA 1, BRCA 2, p53 ও HER2 জিনের সম্পূর্ণ Functional DNA Sequence করানো হয়। এই নিউরোজেন জিন প্যানেলের মাধ্যমে ক্ষতিকর সম্ভাব্য সকল মিউটেশান সনাক্ত করা হয়। তখন ক্ষতিকর এই মিউটেশান আগেভাগে সনাক্ত করা সম্ভব হলে টিউমার ক্যান্সারে রূপান্তরিত হবার আগেই সুচিকিৎসার মাধ্যমে ক্যান্সার নিরাময় করা যায়। নিউরজেনের আছে একঝাঁক নিবেদিত প্রান জেনেটিক বিশেষজ্ঞ এবং ক্লিনিক্যাল সায়িন্টিস্ট যারা ইতিমধ্যে ব্রেস্ট ক্যান্সারের সম্ভাবনা নিরূপণ এবং যথাযোগ্য ট্রিটমেন্ট দ্বারা বাংলাদেশের অনেক নারীকে এই জীবনঘাতি রোগে আক্রান্ত হওয়ার হাত থেকে বাঁচিয়েছেন।
আপনি বা আপনার পরিবারের কোন সদস্য কি ব্রেস্ট ক্যান্সার কিংবা ওভারিয়ান ক্যান্সারের ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন। আর সময় নষ্ট না করে আজই যোগাযোগ করুন নিউরোজেন এর সাথে। ব্রেস্ট ক্যান্সার এর সম্ভাব্যতা যাচাই, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ এবং জেনেটিক টেস্ট এর জন্য আজই ফোন করুণ +8801787662575 নম্বরে।




Comments